sponsor

sponsor

Slider

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Recent Tube

Business

Technology

Life & style

Games

Sports

Fashion

এন্ড্রোয়েড টু এন্ড্রোয়েড এ কথা বলুন ব্লুটুথ দিয়ে





আমি এখন আপনাদের এমন একটি এপস এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো যা দিয়ে আপনি আপনার শখের এন্ড্রোয়েড দিয়ে আপনার বন্ধুর এন্ড্রোয়েড এর সাথে কথা বলতে পারবেন। apps টির না হচ্ছে Bluefi এইটা দিয়ে আপনি চাইলে কোন অফিসে, বাসায়,স্কুল,কলেজ ইত্যাদি যায়গায় অল্প দুরুত্বে কথা বলতে পারবেন এখান থেকে ডাউনলোড করে নিনন আর ইন্সটলার করে কথা ডাউনলোড করুন এখান থেকে।

একজন ফ্রীলেন্সার ওয়েব ডেভেলপার মাসে কত টাকা আয় করতে পারে ?

আপনি যদি একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার হয়ে থাকেন তবে Upwork বা এ ধরণের ফ্রীলেন্সিং মার্কেট প্লেস গুলতে আপনার ক্লায়েন্ট এর অভাব নেই। এবং প্রতিমাসে বেশ বড় অঙ্কের টাকা আপনি আয় করতে পারেন !
alrazi
আমি আমার ফুলটাইম জব (যা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত ছিল না) ছেড়ে দিয়েছি ৫ বছর আগে এবং ফ্রিল্যান্সিং চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নেই। আমি শুধুমাত্র প্রাথমিক ওয়ার্ডপ্রেস এবং এইচটিএমএল জ্ঞান নিয়ে Upwork এ আমার একটি একাউন্ট খুলি। আমি আমার প্রথম কাজ পেতে ১২০টি বিড পাঠিয়েছিলাম যা basic WordPress blog set up ছিল এবং প্রথম কাজটি ১৫০ ডলার ছিল। আমি সেই কাজটি আমার সর্বোচ্চ জ্ঞান দিয়ে সম্পন্ন করেছিলাম এবং ক্লায়েন্ট আমার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে আমাকে একটি পজেটিভ রিভিউ দেয়। আমি সপ্তাহে প্রায় ৭০ ঘন্টা কাজকরা এবং কাজ শেখার জন্য ব্যয় করেছি। আমি যেকোনো নতুন প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি কৌশল তৈরি করেছিলাম যেখানে আমি জানতাম যে ৮০% কি করা উচিত এবং অবশিষ্ট ২0% কাজ আমাকে শিখতে হবে। এভাবে আমি প্রতিটি কাজে নতুন কিছু শিখে নিতাম, একই ভাবে আমার কাজ এবং জ্ঞান ভিত্তিও ক্রমবর্ধমান হয়।

ঠিক এইভাবে কাজ করে করে আমি ১ বছর পর গড়ে ৮০০ থেকে ১০০০ ডলার মাসিক আয় আসে এবং কাজ পাওার জন্য মাত্র ১০ থেকে ১২ টি বিড করলেই হতো। কারন আমার অনেকগুলো কাজের রিভিউ হয়েগেছিল তত দিনে। তাই নতুন ক্লায়েন্টদের কাছথেকে কাজ পাওয়া সহজ হয়েগিয়েছিল।
দুই বছর পর আমি স্ক্র্যাচ থেকে সম্পূর্ণ কাস্টম ওয়ার্ডপ্রেস থিম কোডিং শিখে নিয়েছিলাম এবং আমার ক্লায়েন্ট বড় কোম্পানি ছিল।এই ক্লায়েন্ট বেস হেল্পফুল ছিল এবং তারা তাদের বন্ধুদের আমাকে রেফার করতো তাই আমার প্রায় ২৫% নতুন কাজ Upwork এর মাধ্যমে আসত।


এখন,৫ বছর পর ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে কাজ করে আমি বলতে পারি যে যথেষ্ট দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা, ভাল কাজের নীতিমালা এবং ভাল ক্লায়েন্ট সেবা দিয়ে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে একটি ভাল আয় করতে পারেন এবং আপনার ক্যারিয়ার গড়ে নিতে পারেন।
কখনও কখনও আপনাকে অন্যান্য ডেভেলপারদের সাহায্য সহায়তা নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে কারন কিছু কিছু বড় কাজ আছে যা হয়তো আপনার দ্বারা একা কমপ্লিট করা সম্ভব নাও হতে পারে এবং
এভাবে একসময় আপনার একটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
আমি আমার ৫ বছরের ফ্রীলেন্সিং এর অভিজ্ঞতা দিয়ে বলতে পারি একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার তার ডেডিকেসন দিয়ে মাসে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে ফ্রীলেন্সিং করে তবে তা অবশ্যই নির্ভর করে তার দক্ষতা ও সেই পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করার ক্ষমতার উপর। 


সম্প্রতি আমি একটি পয়েন্টে এসে পৌঁছেছি যখন আমি আমার অভ্যন্তরীণ টিমের সঙ্গে একটি প্লাটফর্মে এসে দাঁড়িয়েছি এবং প্রতিষ্ঠিত করেছি একটি আইটি ফার্ম ও ট্রেনিং সেন্টার ((Madenet it)। এখন আমরা ফ্রীলেন্সিং এর পাশাপাশি লোকাল ওয়েবসাইটের কাজ ও করে থাকি ও ফ্রীলেন্সিং এ আগ্রহীদের ট্রেনিং এর বেবস্থা করেছি। যেখানে অভিজ্ঞ ও দক্ষ ফ্রীলেন্সার দ্বারা ট্রেনিং দিয়ে থাকি। 


আমি মনে করি ঠিক আমার মতই প্রতিটি ফ্রীলেন্সার আগে অথবা পরে একটা সময় নিজের একটি ওয়েব ডেভেলপিং ফার্ম প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। এবং নিজের ক্যারিয়ার সু প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

এবার যত খুশি folder তৈরি করুন শুধুমাত্র একবার notepad ব্যবহার করে।

কিছুদিন পর আবারও লিখতে বসলাম। বসেই ভাবলাম আপনাদের মজার কিছু উপহার দেই। সত্যিই আমি আজ আপনাদের মজার এই পদ্ধতি উপহার দিচ্ছি। আমরা সাধারণত new folder খূলতে গেলে প্রথমে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করি তারপর new তারপর ‍folder এ ক্লিক করি। আবার folder গুলোর নাম দিতে একটা একটা করে rename  করি। এভাবে ঝামেলা না করে ‍কিভাবে notepad এ যত খুশি ফোল্ডার তৈরি করে তার রিনেম করা যায় তাই আজ আপনাদের দেখাচ্ছি:
প্রথমে আপনার কম্পিউটারের start-run-notepad  open করুন। প্রথমেই লিখুন md তারপর space দিয়ে যে যে নামের ফোল্ডার তৈরি করতে চান সেই সেই নাম লিখুন। ধরুন আমি a,b,c,d,e,f,g,h নামের ৮ টি ফোণ্ডার তৈরি করতে চাই। তাহলে আমি নোটপ্যাডে লিখবো:
md a b c d e f g h
এবার বুঝতে পেরেছেন তো। এবার সেভ করার পালা। সেভ এস এ ক্লিক করে যেকোনো নাম দিয়ে নামের শেষে .bat লিখে দেন। এবার আপনার .bat নামের ফাইলটি ওপেন করুন। দেখবেন a b c d e f g h নামের ৮টি ফোল্ডার তৈরি হয়ে গেছে। এভাবে আপনার খুশি মতো যত খুশি ফোল্ডার তৈরি করতে পারেন।
ভালো লাগলে comment করুন খারাপ লাগলেও comment করুন।

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনকে কিভাবে মাউস এবং কীবোর্ড হিসাবে ব্যবহার করবেন।

"আসসালামু আলাইকুম"  আশা করি আপনারা আল্লাহ্‌র রহমতে ভালই আছেন। আবারো আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি নতুন একটি টিউন নিয়ে।আশা করছি আপনাদের ভাল লাগবে। টেকটিউনস কে ধন্যবাদ আমাকে আবারো টিউন করার সুযোগ দেওয়ার জন্য। কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন। আমার টিউন শুরু করছি।

আজকাল আমরা সবাই অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন মোবাইল ব্যবহার করে থাকি। শুধু তাই নয় আমাদের অনেকের বাসায় কম্পিউটার/ ল্যাপটপ  আছে কিন্তু মাউস বা কীবোর্ড সমস্যা থাকে তাদের জন্য এই টিউন। ধাপ গুলো অনুসরণ করুন ও শর্ত গুলো পরে নিন।
১# প্রথমে আপনি গুগল প্লে-ষ্টোর থেকে একটা ইন্টেল রিমোট কীবোর্ড ইন্সটল করে নিবেন।

২# এরপর আপনার কম্পিউটার/ ল্যাপটপ ইন্টেল রিমোট কীবোর্ড হোস্ট  ডাউনলোড করে ইন্সটল  করে নিন।
(আপনার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম কনফিগারেশন উপর নির্ভর করে ৩২ বিট বা ৬৪ বিট দেখে নিন। যেটা প্রয়োজন সেটা ডাউনলোড করুন ও ইন্সটল করুন। আপনি যদি আপনার কম্পিউটার কনফিগারেশন না জানেন তাহলে মাই কম্পিউটার থেকে প্রোপার্টিস ক্লিক করে দেখে নিন।)
৩# আপনার কম্পিউটার/ল্যাপটপ একই ওয়াইফাই আওতায় হতে হবে। এবং ইন্টেলের প্রসেসর হতে হবে  নয়ত হবে না।
৪# কম্পিউটারে/ ল্যাপটপে ইন্সটল করার সময় কোন পরিবর্তন করার দরকার নাই। শুধু নেক্সট করে গেলে হবে আর আপনি যদি এক্সপার্ট হন তাহলে তো কোন কিছু বলার নাই।
৫# সব ঠিকঠাক ইন্সটল করা থাকলে আপনার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ রান করেন দেখবেন আপনার কম্পিউটার নাম চলে আসছে। শুধু আপরার কম্পিউটার নাম না যে সব কম্পিউটারে ইন্টেল রিমোট কীবোর্ড হোস্ট ইন্সটল করা থাকবে একই নেটওয়ার্ক সব গুলো নাম দেখতে পাবেন।
৬#এবার আপনার কম্পিউটার নাম সিলেক্ট করুন। সংযোগ হতে সময় দিন সংযোগ (Connection)  হলে আপনার কম্পিউটার একটা বারকোড ছবি আসবে এবং আপনার মোবাইল ফোন ক্যামেরা অটো রান হবে শুধু মোবাইলটা কম্পিউটারের ছবির উপর রাখুন। সঙ্গে সঙ্গে সংযোগ হয়ে যাবে।
৭# এবার মজা করে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন কে ব্যবহার করুন মাউস এবং কীবোর্ড হিসাবে।
আমি একজন সাধারন টিউনার ভুল হলে ক্ষমা করবেন। ভাল লাগলে টিউমেন্ট করবেন। সময়ের অভাবে টিউন করতে পারিনা। নতুন নতুন অনেক টিপস আছে যা পরবর্তীতে শেয়ার করে চমকে দিব। আমাকে প্রিয়তে রাখতে পারেন। উপরে বিষয়ে বুজতে সমস্যা হলে অবশ্যই টিউন করবেন।
উপরের সফটওয়্যার গুলো সরাসরি ডাউনলোড করতে এই লিঙ্ক যেতে পারেন। অথবা বাংলা বুজতে অনেকের কষ্ট হয় তাদের জন্য আমার ব্লগ থেকে ইংরেজি পড়তে পারেন।